প্রতিবেদন প্রকাশ: ০১ মে ২০২৬, সময়ঃ ০৪:০৪
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি রেমিট্যান্সের ভিত্তি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্থাপন করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (১ মে) মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান 'মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার' প্রতিষ্ঠা করেন। সেই সময়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের ৩৩টি দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর যে ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছিলেন, সেটিই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন যুগের সূচনা করে। তাঁর প্রবর্তিত ত্রিপক্ষীয় শ্রম নীতি ও সংস্কার বাংলাদেশের শ্রমকল্যাণের ভিত্তিকেও শক্তিশালী করেছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি জানান, জিয়াউর রহমানের শুরু করা সেই উদ্যোগকে খালেদা জিয়া পূর্ণতা দিয়েছেন। বিশেষ করে ‘শ্রম আইন ২০০৬’ প্রণয়ন এবং ‘শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি শ্রমিকের অধিকার, কর্মসংস্থান ও কল্যাণের পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছেন।
বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রমিক আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্যাতিত, আহত ও শহীদ শ্রমিকদের আত্মত্যাগের কথা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম এবং তারাই মূলত অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি।
রাষ্ট্রপতি আরও জানান, পূর্ববর্তী সরকারগুলোর ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার রক্ষা, শারীরিক-মানসিক সুস্বাস্থ্য এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন ,
শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিতে নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণে কাজ চলছে।