প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, সময়ঃ ০৩:৪২
পার্বত্য চট্টগ্রামের কৃষকদের সংকট নিরসন ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে অহেতুক অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প না নিয়ে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
সোমবার (৩ আগস্ট) ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী রাঙামাটির দুর্গম এলাকায় খাবার পানির দীর্ঘদিনের সংকট সমাধানের উদাহরণ টেনে বলেন, পাহাড়ে অর্গানিক ফলের বাগান বৃদ্ধি, ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ, কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ ও ড্রাই ফ্রুটস প্রসেসিংয়ের ব্যবস্থা করা হলে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা বিস্তারে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও প্রজেক্টরের রেকর্ড করা ক্লাসের মাধ্যমে গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজির শিক্ষক সংকট সমাধানের প্রস্তাব দেন তিনি। এ ছাড়া পাড়াকেন্দ্রের নারীদের ওয়াশরুম সুবিধা, মডেল পাড়াকেন্দ্র তৈরি এবং ক্রীড়া উন্নয়নে উপজেলা পর্যায়ে খেলার মাঠ নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি পার্বত্য অঞ্চলে সুপেয় পানি, টয়লেট ও স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিত করার ওপর জোর দেন এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাঁচটি নতুন প্রকল্প প্রস্তাবের অনুরোধ জানান।
সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও পার্বত্য তিন জেলা পরিষদের জন্য বরাদ্দকৃত এক হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ের মোট ২১টি সবুজ পাতাভুক্ত প্রকল্প ও চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে পার্বত্য তিন জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ও উভয় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।